
আহমদীয়া মুসলিম জামাত
বেরলভি মাদ্রাসা
প্রতিস্ঠাতা - হযরত মির্জা গোলাম আহমেদ কাদিয়ানী
আমরা মুসলমান আমরা এক আল্লাহকে বিশ্বাস করি ও মানি ,কোরআনকে খোদার কিতাব ও মোহাম্মদ সাঃ কে খাতামুল রাসুল ও নবী মানি ,আমরা ফেরেস্তা ,পুনঃউত্থান,কিয়ামত মানি ,জান্নাত , জাহান্নাম বিশ্বাস করি ,নামাজ পরি , রজা রাখি এবং কিবলামুখি হই।আল্লাহ এবং রাসুল সাঃ যা হারাম বলেছে তা হারাম এবং যা হালাল বলেছে তা হালাল (নুরুল হক ১ম খন্ড ৫ পেজ)
দাবি -
হযরত ইসা আঃ মৃতবরন করেছেন
এই দাবি কেন ?
কিন্তু যখন তুমি আমার মৃত্যু ঘটালে তখন তুমিই ছিলে তাদের উপরে প্রহরী। আর তুমিই হচ্ছো সব-কিছুরই সাক্ষী। ৫ঃ১১৭
আমরা জানি মানুষ মাত্রই মরণশীল
প্রত্যেক সত্ত্বাই মৃত্যু আস্বাদনকারী, তারপর আমাদেরই কাছে তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে। ২৯ঃ৫৭
হযরত মির্জা গোলাম আহমেদ কাদিয়ানী আল্লাহর আদেশে সেই রুপক ইসা হবার দাবি করেছেন।
মহানবী সাঃ বলেছেন প্রতিশ্রুতি মেহেদি আগমন কারি ইসা ইবনে মরিয়ম ছাড়া অন্য কেউ নয় (সুনানে ইবনে মাজা বাব সিদ্দাতুজ যামান)
বিশ্বাস -
ইমাম বেরলভি
যিনি ইসা তিনি মেহেদী
হযরত ইসা আঃ মারা গিয়েছেন
আহ্মদীগণ বিশ্বাস করেন যে, আল্লাহ্র নবী ঈসা (আ:) কে ইহুদীরা অভিশপ্ত করে বধ করবার জন্য শূলে দিয়েছিল। কিন্তু তিনি শূলে প্রাণত্যাগ করেন নি। শিষ্যদের চেষ্টা মুর্ছিত অবস্থায় শূল থেকে নামবার পর বহু বৎসর জীবিত থেকে তিনি স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছেন।
মুসলমানদের মাঝে অনৈক্য ও দলাদলি
মিথ্যা ও দুর্নীতির সর্বগ্রাসী প্রাদুর্ভাব
ত্রিত্ববাদী খ্রিস্টান তথা দাজ্জালের সর্বগ্রাসী আগ্রাসান (দাজ্জাল)
মরানাস্ত্র পরাশক্তি তথা ইয়াজুজ মাজুজের উথান (ইয়াজুজ মাজুজ)
সুদ , মদ বাভিচারের ছড়াছড়ি
আকাশের আবরণ উম্মেচিত ও মহাআকাশ বিজ্ঞানের উন্নতি
বন্য জীবজন্তু জড়ো করে দেশে দেশে চিড়িয়াখানা স্থাপন
পুস্তকের বাপক প্রকাশনী ও মুদ্রন জগতে বিপ্লব
নর্তকী ও গায়ক গায়িকার প্রধান্য
উচু উচু অট্টলকা নির্মাণের প্রতিযোগিতা
হযরত মির্জা গোলাম আহমেদ কাদিয়ানী বলেছেন -
স্মরণ রাখিও কেহ আকাশ হইতে অবতীর্ণ হইবে না ,আমাদের সকল বিরুদ্ধবাদী,যারা আজ জিবিত আছে তাহারা সকলে মরিবে কিন্তু তারা কেহই মরিয়মের পুত্র কে আকাশ হতে অবতীর্ণ হতে দেখবে না অতপর তাদের ছেলেরাও মারা যাবে তারাও কেউ দেখবে না ।তখন বুদ্ধিমান বাক্তিরা এই বিস্বাসের প্রতি বিতৃষ্ণ হইয়া পড়িবে।আজ হইতে ৩য় শতাব্দী পূর্ণ হইবে না যখন যখন ইসা আঃ এর অপেক্ষাকারীরা ,কি মুসলমান,কি খ্রিস্টান সকলে অত্যন্ত হতাশ ও বিরক্ত হইয়া ওই মিথ্যা বিশ্বাসকে পরিত্যাগ করিবে । তখন পৃথিবীতে একটিই ধর্ম হইবে এবং একই নেতা।আমি তো এক বিগ বপন করিতে আসিয়াছি।সুতরাং আমার দ্বারা ওই বিজ বপন করা হইয়াছে ।এখন ইহা বৃদ্ধি লাভ করিবে এবং বিকশিত হইবে ।কেহ ইহাকে রুখিতে পারিবে না । (তাযকেরাতুশশাহাদাতাইন পুস্তক হইতে)
তাদের দাওয়াতের চাবি >>
মায়েদা (৫ঃ৭৬)
মরিয়ম-পুত্র মসীহ্ রসূল বৈ নন। তাঁর পূর্বে রসূলগণ নিশ্চয়ই গত হয়ে গেছেন। আর তাঁর মাতা ছিলেন একজন সত্যপরায়ণা নারী। তাঁরা উভয়ে খাদ্য খেতেন। দেখো, কিভাবে আমরা তাদের জন্য আমার বাণী সুস্পষ্ট করি, তারপর দেখো, কেমন করে তারা ঘুরে যায়।
আল ইমরান (৩ঃ১৪৫)
আর মুহাম্মদ একজন রসূল বৈ তো নন। নিঃসন্দেহ তাঁর পূর্বে রসূলগণ গত হয়ে গেছেন। অতএব তিনি যদি মারা যান অথবা তাঁকে কাতল করা হয় তাহলে কি তোমরা তোমাদের গোড়ালির উপরে মোড় ফেরাবে? আর যে কেউ তার গোড়ালির উপরে মোড় ফেরে সে কিন্তু, আর আল্লাহ্ অচিরেই পুরস্কার দেবেন কৃতজ্ঞদের।
তারা বলছে সকল রাসুল মারা গিয়েছে তাহলে ইসা আঃ কি করে বেচে থাকল ?
মানুষ আকাশে থেকে অবতরন করবে এইটা কোরআন ও বিজ্ঞান বিরোধী
উত্তর
কোরআনের কোথাও নেই ইসা আঃ শেষ রাসুল তাহলে কি করে কাদিয়ানী সাহেব শেষ রাসুল ও ইসা আঃ হলেন ?
সুরা আহযাব ৩৩ঃ৪০ মোহাম্মদ সাঃ তোমাদের মধ্য কোন পুরুষের পিতা নন বরং তিনি আল্লাহ রাসুল এবং শেষ নবী আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ।
তারা বলে থাকে উনি শেষ নবী কিন্তু রাসুল না।
৭ঃ১৫৮ হে নবী তাদেরকে বলে দেও -- ''ওহে জনগণ! আমি নিশ্চয়ই আল্লাহ্র রসূল ( মোহাম্মদ সাঃ রাসুল ছিলেন )
রাসুল মানে আল্লাহ মনোনীত বার্তাবাহক যাদের উপর কিতাব নাযিল হয়েছিল
নবী মানে আল্লাহ মনোনীত বার্তাবাহক যাদের উপর কিতাব নাযিল হয়নি
সব রাসুল নবী কিন্তু সব নবী রাসুল না
উভয়ই আল্লাহ মনোনীত বার্তাবাহক কিন্তু রাসুল দের প্রতি কিতাব নাযিল হয়েছে
মোহাম্মদ সাঃ যদি শুধু নবী হন তাহলে কিভাবে কিতাব নাযিল হল ?
সাহাবীরা কিভাবে বুজেছেন এই সকল আয়াত ?
৭ঃ১৫৮

সুরা নিসা ১৫৬ - ১৫৮ ও সুরা আল ইমরান (৩ঃ৫৫ ) ইসা আঃ কে প্রতীয়মান করা হয়েছিল বা তুলে নেওয়া হয়েছিল
সাহাবিরা কি ভাবে এই আয়াত বুজেছে ?



নিচে আরেকটি রেফ

সুরা মায়েদা ৫ঃ৩ একাংশ আজ আমি তোমাদের দ্বীন কে পুরনাঙ্গ করে দিলাম ,তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম ও ইসলাম কে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম।
ইসা সাঃ আসবে মোহাম্মদ সাঃ এর উম্মত হয়ে।
>> মানুষ আকাশে থেকে অবতরন করবে এইটা কোরআন ও বিজ্ঞান বিরোধী
মেরাজ কে অস্বীকার করা আর বিজ্ঞান সব কিছু এখনও আবিস্কার করতে পারিনি।
ইসা আঃ ও ইমাম মেহেদী আসবে এইটা কিয়ামতের একটা লক্ষন।
ইসলামের সাথে সংঘর্ষ ?
হ্যাঁ >> ইসলামেই নেই । অমুসলিম
কেন ইসলামেই নেই ? সংক্ষেপে
ইমাম মাহদীর পরিচয়ঃ
তাঁর নাম হবে আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নামের মতই
এবং তাঁর পিতার নাম হবে আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর
পিতার নামের মতই। তিনি হবেন হাসান বিন আলী (রাঃ)এর বংশ থেকে।
ইবনে কাছীর (রঃ) বলেনঃ “তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-ফাতেমী আল-হাসানী’’।(নিহায়া, অধ্যায়ঃ আল-ফিতান ওয়াল মালাহিম)নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
ইবনে কাছীর (রঃ) বলেনঃ “তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-ফাতেমী আল-হাসানী’’।(নিহায়া, অধ্যায়ঃ আল-ফিতান ওয়াল মালাহিম)নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ
“মাহদী
আসবেন আমার বংশধর হতে। তাঁর কপাল হবে উজ্জল এবং নাক হবে উঁচু। পৃথিবী হতে
জুলুম-নির্যাতন দূর করে দিয়ে ন্যায়-ইনসাফ দ্বারা তা ভরে দিবেন। সাত বছর
পর্যন্ত তিনি রাজত্ব করবেন’’।(আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ কিতাবুল মাহদী, সহীহুল জামে আস্ সাগীর, হাদীছ নং- ৬৬১২)
এবং তারা বলে আমরা মারইয়ামের পুত্র আল্লাহর রাসূল ঈসাকে হত্যা করেছি। মূলতঃ তারা তাঁকে হত্যা করতে পারেনি এবং ক্রুশবিদ্ধও করতে পারেনি; বরং তাদেরকে সন্দেহে ফেলা হয়েছে। নিশ্চয়ই যারা তাতে মতবিরোধ করেছিল তারাই সে বিষয়ে সন্দেহে রয়েছে। কল্পনার অনুসরণ ব্যতীত এ বিষয়ে তাদের কোন জ্ঞান নেই। প্রকৃতপক্ষে তারা তাঁকে হত্যা করতে পারেনি। পরন্তু আল্লাহ তাঁকে নিজের দিকে উঠিয়ে নিয়েছেন। আল্লাহ পরাক্রান্ত, মহাজ্ঞানী। আহলে কিতাবদের প্রত্যেকেই তাঁর মৃত্যুর পূর্বে তাঁর প্রতি ঈমান আনয়ন করবে এবং উত্থান দিবসে তিনি তাদের উপর সাক্ষ্য প্রদান করবেন’’। (সূরা নিসাঃ ১৫৭-১৫৯)
“নিশ্চয়ই ঈসা (আঃ) কিয়ামতের নিদর্শন। সুতরাং তোমরা কিয়ামতের ব্যাপারে কোন প্রকার সন্দেহ পোষণ করোনা। আমার অনুসরণ করো। এটাই সরল পথ’’। (সূরা যুখরুফঃ ৬১)
অত্র
আয়াতে কিয়ামতের পূর্বে ঈসা (আঃ) এর আগমণের কথা বলা হয়েছে। এটি হবে
কিয়ামতের একটি বড় আলামত। তাঁর আগমণ কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার প্রমাণ বহন
করবে’’।তাফসীরে কুরতুবী, তাবারী ও ইবনে কাছীর
দাজ্জালের পরিচয়ঃ
দাজ্জালের পরিচয়ঃ
দাজ্জাল মানব জাতিরই একজন হবে। মুসলমানদের কাছে তার পরিচয় তুলে ধরার
জন্যে এবং তার ফিতনা থেকে তাদেরকে সতর্ক করার জন্যে নবী (সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পরিচয় বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন। মুমিন
বান্দাগণ তাকে দেখে সহজেই চিনতে পারবে এবং তার ফিতনা থেকে নিরাপদে থাকবে।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার যে সমস্ত পরিচয় উল্লেখ করেছেন
মুমিনগণ তা পূর্ণ অবগত থাকবে। দাজ্জাল অন্যান্য মানুষের
তুলনায় স্বতন্ত্র বৈশিষ্টের অধিকারী হবে। জাহেল-মূর্খ ও হতভাগ্য ব্যতীত কেউ
দাজ্জালের ধোকায় পড়বেনা।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাজ্জালকে স্বপ্নে দেখে তার শারীরিক গঠনের বর্ণনাও প্রদান করেছেন। তিনি বলেনঃ দাজ্জাল হবে বৃহদাকার একজন যুবক পুরুষ, শরীরের রং হবে লাল, বেঁটে, মাথার চুল হবে কোঁকড়া, কপাল হবে উঁচু, বক্ষ হবে প্রশস্ত, চক্ষু হবে টেরা এবং আঙ্গুর ফলের মত উঁচু।[26] দাজ্জাল নির্বংশ হবে। তার কোন সন্তান থাকবেনা (বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুল ফিতান)
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাজ্জালকে স্বপ্নে দেখে তার শারীরিক গঠনের বর্ণনাও প্রদান করেছেন। তিনি বলেনঃ দাজ্জাল হবে বৃহদাকার একজন যুবক পুরুষ, শরীরের রং হবে লাল, বেঁটে, মাথার চুল হবে কোঁকড়া, কপাল হবে উঁচু, বক্ষ হবে প্রশস্ত, চক্ষু হবে টেরা এবং আঙ্গুর ফলের মত উঁচু।[26] দাজ্জাল নির্বংশ হবে। তার কোন সন্তান থাকবেনা (বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুল ফিতান)
দাজ্জাল কোথা থেকে বের হবে?
দাজ্জাল বের হওয়ার স্থান সম্পর্কেও রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বর্ণনা দিয়েছেন। সে পূর্ব দিকের পারস্য দেশ থেকে বের হবে। সে স্থানটির নাম হবে খোরাসান। সেখান থেকে বের হয়ে সমগ্র দুনিয়া ভ্রমণ করবে। তবে মক্কা এবং মদীনায় প্রবেশ করতে পারবেনা। ফেরেশতাগণ সেদিন মক্কা-মদীনার প্রবেশ পথসমূহে তরবারি নিয়ে পাহারা দিবে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “পূর্বের কোন একটি দেশ থেকে দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে যার বর্তমান নাম খোরাসান’’
মুসলমানদের
ইমাম যখন তাদেরকে নিয়ে ফজরের নামায পড়ার জন্য সামনে চলে যাবেন তখন ঈসা
ইবনে মারইয়াম অবতরণ করবেন। ইমাম যখন ঈসা (আঃ)এর আগমণ অনুভব করবেন তখন
পিছিয়ে আসতে চেষ্টা করবেন যাতে ঈসা (আঃ) সামনে গিয়ে মানুষের ইমামতি করেন।
ঈসা (আঃ) ইমামের কাঁধে হাত রেখে বলবেনঃ তুমিই সামনে যাও এবং তাদের নামায
পড়াও। কারণ তোমার জন্যেই এ নামাযের ইকামত দেয়া হয়েছে। অতঃপর তিনি ইমামতি
করবেন।[57] নামায শেষে তিনি দরজা খুলতে বলবেন। তারা দরজা খুলে দিবেন।[58]
পিছনে তিনি দাজ্জালকে দেখতে পাবেন। তার সাথে থাকবে অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত
সত্তুর হাজার ইহুদী। দাজ্জাল ঈসা (আঃ)কে দেখেই পানিতে লবন গলার ন্যায় গলতে
থাকবে এবং পালাতে চেষ্টা করবে। ঈসা (আঃ) তাকে লক্ষ্য করে বলবেনঃ “তোমাকে
আমি একটি আঘাত করব যা থেকে তুমি কখনও রেহাই পাবেনা।মুমিন ঈসা (আঃ) লুদ্দ
শহরের পূর্ব গেইটে তাকে বর্শা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করবেন। অতঃপর আল্লাহ
তা’আলা ঈসা (আঃ)এর মাধ্যমে ইহুদীদেরকে পরাজিত করবেন। আল্লাহর কোন
সৃষ্টজীবের অন্তরালে ইহুদীরা পালাতে চাইলে আল্লাহ সে সৃষ্টজীবকে কথা বলার
শক্তি দিবেন। পাথর, গাছ, দেয়াল কিংবা চতুষ্পদ জন্তুর আড়ালে পলায়ন করলে
সকলেই বলবেঃ হে মুসলিম! হে আল্লাহর বান্দা! আমার পিছনে একজন ইহুদী লুকিয়ে
আছে। আসো এবং তাকে হত্যা করো। তবে গারকাদ নামক গাছের পিছনে লুকালে গারকাদ
গাছ কোন কথা বলবেনা। এটি ইহুদীদের গাছ বলে পরিচিত (ইবনে মাজাহ, অধ্যায়ঃ কিতাবুল ফিতান। সহীহুল জামে আস্ সাগীর, হাদীছ নং- ১৩৮৩৩)দাজ্জাল বের হওয়ার স্থান সম্পর্কেও রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বর্ণনা দিয়েছেন। সে পূর্ব দিকের পারস্য দেশ থেকে বের হবে। সে স্থানটির নাম হবে খোরাসান। সেখান থেকে বের হয়ে সমগ্র দুনিয়া ভ্রমণ করবে। তবে মক্কা এবং মদীনায় প্রবেশ করতে পারবেনা। ফেরেশতাগণ সেদিন মক্কা-মদীনার প্রবেশ পথসমূহে তরবারি নিয়ে পাহারা দিবে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “পূর্বের কোন একটি দেশ থেকে দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে যার বর্তমান নাম খোরাসান’’
মদিনার আলেমদের ফতোয়া ?
ইসলামেই নেই বা অমুসলিম
কোরআনের অনুবাদ ভুল
পূর্বের অবস্থা
একই
বর্তমান অবস্থা
একই
সংশোধন এর উপায়
দাওয়াত দিতে হবে বেশি করে।
যে কোন দল নিয়ে কোন তথ্য জানা থাকলে সেই দলের নামের পেজে নিচে কমেন্ট করে সাহায্য করুন >> শেয়ার করতে ভুলবেন না
No comments:
Post a Comment