
চরমোনাই পীর
দাবি
বাপ দাদারা পীর ছিলেন সেই সুত্রে পীর দাবি
বিশ্বাস
সংশোধনে বিশ্বাসী কিছু মুরিদ এবং কিছু আলেম
ইসলামের সাথে সংঘর্ষ ?
হ্যাঁ >> তাদের বিভিন্ন বইতে বিভিন্ন রকম কথা যা কোরআন হাদিস বিরোধী ভেদে মারফতে ইত্যাদি
পীররা কেন সমস্যা ?
আমরা জানি পীরখানা গুলো যারা চালায় তারা তাদের বই গুলো দেয় আমল করার জন্য যা কিনা তাদের পীর সাহেব বলে গেছেন।
সুরা বাকারা (১) ৭৯ নং আয়াত – আল্লাহ বলছেন – সে সব লোকের জন্য ধ্বংস (অনিবার্য)যারা হাত দিয়ে কিতাব লিখে নেয় তারপর বলে এগুলো হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে ,তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে যেন তা দিয়ে (দুনিয়াতে)কিছু কিনতে পারে।
পীরদের কাছে যেতে যেতে মানুষরা শিরকে লিপ্ত হয়
কথার শিরক – কোন মানুষের কোন সমস্যা হলে মানুষ বলে থাকে ,চলো পীর এর কাছে যাই পীর এইটা ঠিক করে দিবে।আসলে কে ঠিক করে দিবে আল্লাহ না পীর?
অন্তরে শিরক – মানুষ আস্তে আস্তে পীর এর উপর ভরশা করা শুরু করে ।কার উপর ভরসা করা উচিৎ ?আল্লাহর উপর নাকি পীর এর উপর?
পীররা মানুষ ও আল্লাহর মধ্য এক প্রকার দালাল। পীররা মানুষদের কে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে থাকে কোন অধিকার ? সকল মানুষের অধিকার সে আল্লাহর কাছে সরাসরি কামনা করবে বা ডাকবে । সে যেই হোক কেন -কানা ,খোঁড়া ,রিক্সা ওয়ালা ,ফকির- মিসকিন ,বড় লোক ,গরীব লোক এইটা সকল লোকের অধিকার যা আল্লাহ সবাইকে দিয়েছে এবং এই মর্যাদা সবার আছে।
মদিনা হতে কি বলেছেন ?
সংশোধন না হলে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।কারন শিরিক লক্ষণীয় , তওবার রাস্থা খোলা।
কিভাবে পূর্ব হতে শিরিক ও বিদয়াত তারা করল ?
পূর্বে প্রতিটি বই বাংলায় অনুবাদ ছিল না (যেমন বুখারি শরিফ , মুসলিম শরিফ)
মানুষ কোরআন আর হাদিস দিয়ে তাদের বই গুলো যাচাই করেনি।
সুরা আল হুজুরাত (৪৯)৬নং আয়াত আল্লাহ বলছেন -হে ইমানদার ব্যাক্তিরা ,যদি কোন দুষ্ট লোক তোমাদের কাছে কোন তথ্য নিয়ে আসে তবে পরখ করে দেখবে ।
পূর্বে যখন আলেমরা শিরিক বা বিদয়াত বা ইমান ভঙ্গকারি বিষয় বর্ণনা করেছেন তখন তারা সেই সময়ের পেক্ষাপটে অল্প কিছু কারন উল্লেখ করেছেন কিন্তু বর্তমানে আলেমরা শিরিক বা বিদয়াত বা ইমান ভঙ্গকারি বিষয় অনেক গুলো কারন উল্লেখ করেছেন।
যেমন - পূর্বে নাস্তিকতা ,মোবাইলে অশীলতা ,বদ নজরের জন্য কাজলের ফোটা ,জন্মদিন ,নববর্ষ অনুস্ঠান বিভিন্ন বিষয় ছিল না কিন্তু এখন আছে ।
পূর্বের অবস্থা
শিরিক লক্ষণীয় বিভিন্ন বই পড়লে দেখা যায়।
বর্তমান অবস্থা
কিছু সংশোধন লক্ষণীয়।
সংশোধন এর উপায়
পীর সাহেব কি করবে জানা নেই।
মুরিদদের দাওয়াত দিতে হবে বেশি করে।
কোরআন হাদিস বিরোধী আমল বাদ দিতে হবে।
কোরআন হাদিস বিরোধী কাজ বাদ না দিলে মানুষ কিন্তু যারা আসলেই ভাল লোক ছিল তাদেরকেও ভণ্ড বলা শুরু করবে
কিছু ভাল মানুষ ছিল যাদের মানুষ ট্যাগ দিয়েছে পীর ।এইটা দেখে দুষ্ট লোক পীর সেজে মানুসকে ধোঁকা দিচ্ছে পীর ভণ্ড হলেও মানুষ তার উপর বিশ্বাস করছে এবং কিছু ভাল লোকের কবর পাকা এইসব ভাল লোকের কবরগুলোতে এখনও রমরমা ব্যবসা চলছে ।এইটা দেখে কিছু দুষ্ট লোক নাম না জানা অনেক লোকের কবর পাকা করে মাজার বানিয়ে ব্যবসা করছে।ভাল মানুষ গুলো নেই ,যারা তাদের কবর গুলো পাকা বা তাদের নামে বিভিন্ন বই রচনা করে এবং মন্দ মানুষরা যা করেছে এই গুলো সব ইসলাম বিরোধী।
"আবু মারসাদ গানবী (রা) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন,আমি রাসূল(সা) বলতে শুনেছি। তোমরা কবরের দিকে নামায পড়োনা এবং কবরের উপর বসোনা'। (সহিহ মুসলিম ২১২৩, ইঃফাঃ)
"আবু হাইয়াজুল আসাদী বলেন, আমাকে আলী(রা) বললেন, আমি কি তোমাকে এমন কাজে পাঠাবনা যে কাজে রাসূল (সা) আমাকে পাঠিয়েছিলেন ? তা হচ্ছে কোন প্রতিকৃতি বা ছবি দেখলে তা চূর্ন বিচূর্ন না করে ছাড়বেনা। আর কোন উচু কবর দেখলে তাও সমান না করে ছাড়বে না'। (সহিহ মুসলিম ২১১৪, ইঃফাঃ)
"জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) কবর পাকা করতে, কবরের উপর বসতেও কবরের উপর গৃহ নির্মান করতে নিষেধ করেছেন। (সহিহ মুসলিম ২১১৭, ইঃফা)
যে কোন দল নিয়ে কোন তথ্য জানা থাকলে সেই দলের নামের পেজে নিচে কমেন্ট করে সাহায্য করুন >> শেয়ার করতে ভুলবেন না
No comments:
Post a Comment