সৌদিআরব


সৌদিআরব
যত গ্রুপ আছে সকলেরই  সৌদি বিরোধী একটা ভাব।দেখা যাই যে সৌদি এর সাথে আমেরিকার একটা বন্ধুত্ব পূর্ণ সম্পর্কের জন্য তারা সৌদিকে পছন্দ করে না
(সৌদি রয়্যাল এর জন্য আপনি কেন রাসুল সাঃ এর দেশ কে ঘৃণা করবেন ? )
আর বলে থাকে।
৫ঃ৫১
ওহে যারা ঈমান এনেছ! ইহুদী ও খ্রীষ্টানদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তাদের একদল অন্যদের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যের যে তাদের মুরব্বী বানায় সে তবে নিশ্চয় তাদেরই মধ্যেকার। নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ পথ দেখান না অন্যায়কারী সম্প্রদায়কে।

কিন্তু দেখা যাই বর্তমানে আন্তর্জাতিক অনেক নিয়ম কানুন আছে এক দেশের সাথে আরেক দেশের মৈত্রী সম্পর্ক ইত্যাদি।যারা বলছে তাদের দেশের সাথেও সেইসব দেশের মৈত্রী সম্পর্ক আছে
যদি বলা হই ভাই ওরা যদি সৌদিতে অ্যাটাক করে ?তাহলে তারা বলে আল্লাহ মক্কা আর মদিনাকে রক্ষা করবে তাহলে বিভিন্ন দেশের সাথে মৈত্রী সম্পর্ক আল্লাহর রক্ষার একটা নমুনা হতে পারেনা কেন?
আমরা জানি শিয়ারা বহুদিন হতে সুন্নিদের ঘৃণা করে এবং তারা সৌদিকে দখল করতে চাই।এইটাও তাদের মৈত্রী সম্পর্ক এর একটা কারন হতে পারে ।

ইহুদী ও খ্রীষ্টানরা কখনই আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যে পর্যন্ত না আপনি তাদের ধর্মের অনুসরণ করেন। বলে দিন, যে পথ আল্লাহ প্রদর্শন করেন, তাই হল সরল পথ। যদি আপনি তাদের আকাঙ্খাসমূহের অনুসরণ করেন, ঐ জ্ঞান লাভের পর, যা আপনার কাছে পৌঁছেছে, তবে কেউ আল্লাহর কবল থেকে আপনার উদ্ধারকারী ও সাহায্যকারী নেই।- বাকারা ১২০

ইহুদী ও খ্রীষ্টানরা কি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরে ? সৌদি আরবের মানুষেরা পরে।
 
আর যারা মক্কা মদিনায় থাকে তাদের সৌদি সরকার যদি বলে আপনারা এইখানে ২টা হাদিস ঢুকিয়ে দেন তাহলে কি ওইখানের মানুষরা দিবে ?
আপনাকে যদি আপনার দেশের সরকার বলে এই কথা আপনি তা করবেন?
আরবরা আরবিতে পণ্ডিত এইটা সবাই জানে তারা যেভাবে কোরআন হাদিস বুজেছেন সেইভাবে কি সবার বোঝা উচিত নয়?

আমাদের সাইট এ অনেক বার মদিনা ইউনিভার্সিটি এর কথা বলা হয়েছে কারন সঠিক ইসলাম জানার জন্য মুসলিমদের একটাই আন্তর্জাতিক ইউনিভার্সিটি মদিনা ইউনিভার্সিটি ।
অনেকে আছে যারা মদিনা ইউনিভার্সিটি থেকে শিখে এসে নিজ দেশে ফিরে ভণ্ড পীরের দালালি করে থাকে একজন মাদানি বলেই বসল পীর আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে দলিল ও দিল সাথে।নিজ দেশে এসে নিজ দেশে যেসব প্রচলিত নিয়ম আছে তার বিরুধে আপনি বলতে পারলেননা বরং একই মত প্রকাশ করলেন আপনি কি তাহলে হক কথাটা বললেন?

শোনা যাই সৌদি সরকার নাকি ইলুমিনিটি এর মেম্বার।
arrivals noreaga দেখেছি যাতে অনেক কিছু শেখার আছে এবং এইখানে একগাদা সৌদি সরকারের বিরুধে দেখান হয়েছে পরে খবর নিয়ে দেখা গেল arrivals noreaga শিয়াদের তৈরি অল্প ২,১ জন সুন্নি ও খ্রিস্টান ও আছে।

ইহুদী ও খ্রীষ্টানদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না (সৌদি সরকার বাশ ও খেয়েছে বলে অনেকে ধারনা করে)
আবার এই ইলুমিনিটি এক সময় আরব ও মুসলিমদের কে বিশ্বের কাছে খারাপ ভাবে উপস্থাপন করেছিল অনেকের ধারনা এরকম হতে পারে এসবের পরে তারা হইত ইলুমিনিটিতে যোগ দিয়েছে।
তাহলে ইলুমিনিটির ওই ফাদে আপনি আছেন কারন আপনি তো আরব পছন্দ করেন না।
আরবকে সাহায্য করার জন্য যত শক্তিশালী সুন্নি দেশ আছে সকল দেশ আরব থেকে দূরে 
এমননা যে সৌদি রয়্যাল খারাপ হতেই পারেনা । খারাপ হতেও পারে আর রাজনীতি যারা করে তাদের সম্পর্কে আপনাদের ভাল ধারনা আছে আশা করি।কিন্তু অনেক মুসলিম দল ঘৃণা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি করে এই জন্য এই পেজ।

সৌদিতে কর্মী নিয়োগ নিয়ে গোলযোগ
সৌদিতে একটা আইন পাশ করেছে কর্মী নিয়োগের জন্য এবং তারা বিভিন্ন দেশ থেকে কর্মী নিয়ে থাকে। এইটা দেখে কিছু লোক জলে উঠে আর বলে থাকে সৌদিতে যৌন কর্মী নিচ্ছে ।আপনার ধারনা সৌদিতে মেয়ে মানুষ নেই ? তারা যেনায় বিশ্বাসী নই তারা বিয়েতে  বিশ্বাসী ।আপনি যদি চিন্তা করেন একটা দেশে ১০০% ভাল তাহলে আপনার বুদ্ধি প্রশ্ন বিদ্ধ।আর দেখা যাই যদি মালিক ভাল হই তাহলে সেখানে কর্মীরা ভাল থাকে আর যদি মালিক খারাপ হই তাহলে কর্মীর সমস্যা হই ।সকলেই কি সৌদিতে যেয়ে অত্যাচারিত হই ?অনেকেই আছে যারা সৌদিতে ভাল আছে।কিন্তু কি হই কিছু লোক আমাদের সমাজে সরাসরি বলছে সৌদিতে যৌন কর্মী নিয়োগ আপনি খারাপটা বললেন তাহলে যারা ভাল আছে তাদেরটা বললেন না কেন ?আর মিথ্যা বললেন কেন ?আপনি কি জানেন না দাসি প্রথা সৌদিরা ১৪৫০ বছর আগে উঠিয়ে দিয়েছে ।তাহলে কি তাদের কোন স্বার্থ লুকিয়ে আছে ?

তারা এমন কেন বলছে?
মুসলিমদের বিরুদ্ধে বললেই কে খুশি হই ?আপনারা নিশ্চয় জানেন।

আর ইরাকে , আফগানিস্তানে , যেরুযালেম যুদ্ধ হলো আরব কিছুই বলল না?

যখন মক্কা মদিনা থেকে বলে আমাদের মত করে নামাজ পরেন আমাদের মত করে চলেন আল্লাহ আপনাদের উপর রহম করবেন তখন তো ফতোয়াবাজির ঠেলায় টিকা যাই না যত রকম বিরোধিতা করা যাই তাই করে থাকেন আবার তাদের কাছ থেকে আশা করেন ?

আপনাকে চিন্তা করতে হবে সরকারের একটা ভুল সিধান্ত এর জন্য মানুষের জন্য কতবড় বিপদ আনতে পারে।তারা কেন চুপ ছিল তা আমরাও জানি না ।
অনেকের ধারনা শিয়া
সবচেয়ে মজার বিষয় মুসলিম আর খ্রিস্টান বাহাস (নাম ধারি খ্রিস্টান আসলে ইহুদী মনে হল)
খ্রিস্টান বলছে
সুরা ইশরা ১৭ঃ১০৪
আর এর পরে আমরা ইসরাইলের বংশধরদের বলেছিলাম -- ''তোমরা এ দেশে বসবাস কর, তারপর যখন ভবিষ্যতের প্রতি‌শ্রুতি এসে পড়বে আমরা তখন তোমাদের জড় করব দুমড়ে ফেলে।
খ্রিস্টান বলছে আপনার আল্লাহ বলছে থাকতে দিতে তাহলে আপনি থাকতে দিবেন না কেন?আসলেই ওরা শয়তান।
নিচে ক্লিক করে দেখুন>>ছবির নিচের সিংহাসন ও লেখা খেয়াল করুন

the throne of david which is the throne of the kingdom of the lord over israel



যে কোন দল নিয়ে কোন তথ্য জানা থাকলে সেই দলের নামের পেজে নিচে কমেন্ট করে সাহায্য করুন 
শেয়ার করতে ভুলবেন না

1 comment:

  1. শিয়াদের আরেকটি অপপ্রচার
    মানুষের হারামিপনার একটা সীমা থাকা দরকার!
    ********************************************

    স্ত্রীর শরীরের মাংস খাওয়া নিয়ে অনলাইন মিডিয়ায় বেশ ধুন্ধুমার চলছে। গত দু-তিনদিন ধরে ন্যাশনাল ইন্টারন্যাশনাল অনেক সুশীল মিডিয়া খবর প্রকাশ করছে যে, সউদি আরবের প্রধান মুফতি শায়েখ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ সম্প্রতি ফতোয়া দিয়েছেন যে, ‘স্বামী ক্ষুধার তাড়নায় স্ত্রীর শরীরের যে কোনো অঙ্গের মাংস খেতে চাইলে ইসলামি শরিয়ত তাকে সেই অনুমতি দিয়েছে।এটা একজন মুসলিম নারীর জন্য সম্মানের এবং তার পতিভক্তিরই অমূল্য প্রকাশ।
    এবার আসুন ঘটনার ভেতরে প্রবেশ করি। আজ সউদি আরবের ‘আল আরাবিয়্যাহ’ নিউজপেপার তাদের অনলাইন এডিশনে এই সংবাদটিকে প্রধান মুফতির বরাত দিয়ে সম্পূর্ণই ভুয়া এবং বানোয়াট বলে নিউজ প্রকাশ করেছে। কাল রাতে সংবাদটি প্রথমে দেখে অন্য আর সবার মতো আমিও ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গিয়েছিলাম। আজ কেফায়েত ভাই আল আরাবিয়্যার নিউজটি দেখালেন এবং কারা এই ভুয়া নিউজটি তৈরি করেছে তারও একটা স্ট্রাকচার দেখালেন।

    নিউজটি প্রথমে প্রকাশ করে ‪#‎ইরান‬ এর শিয়াদের একটি ওয়েবসাইট
    # (আলআলাম) www.en.alalam.ir/news/1693494 এবং
    # লেবাননের উগ্রপন্থী সশস্ত্র শিয়াদল হিজবুল্লাহ নিয়ন্ত্রিত ওয়েবসাইট জমহুরিয়্যাহ www.jomhouria.com/art28944।
    # এছাড়াও সংবাদটি প্রকাশ পায় ইহুদি নিয়ন্ত্রিত শোয়েবাত www.shoebat.com/…/the-mufti-of-saudi-arabia-passes-a-fatwa…/ ওয়েবসাইটে।

    এসব ওয়েবসাইটে তারা যদিও দাবি করেছে, মিডলইস্টের কয়েকটি নিউজপেপারের সংবাদের ভিত্তিতে তারা এই তথ্য দিচ্ছে, কিন্তু তারা মিডলইস্টের কোনো ওয়েবসাইট বা নিউজপেপারের বরাত দেয়নি। সুতরাং সর্বোতভাবেই ধরে নেয়া যায় এটি একটি ভুয়া সংবাদ।
    এবার ভুয়া সংবাদের নেপথ্যে যাওয়া যাক।

    # এসব ওয়েবসাইট এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে কেন ভুয়া সংবাদ ছড়াবে?
    কারণ খুবই সিম্পল। সম্প্রতি সউদি আরবের নেতৃত্বে উপসাগরীয় মুসলিমশক্তি ইয়েমেনের হুতি শিয়াদের উচ্ছেদে আক্রমণ শুরু করেছে। স্বভাবতই ইরানি শিয়া সম্প্রদায় তাদের ‘মুখ ফোলানো’ ভাইদের (হুতি শিয়ারা তাদের মুখের মধ্যে কী যেন একটা রাখে সবসময়; এতে তাদের মুখ সবসময় ফুলে থাকে) রক্ষা করার জন্য অস্ত্রশস্ত্র যেমন যোগান দিচ্ছে তেমনি তাদের জন্মজাত স্বভাব অনুযায়ী মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়ে মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তিও ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই বিভ্রান্তিমূলক ভুয়া খবর তারই জ্বলন্ত প্রমাণ।
    ভবিষ্যতে এমন আরও মুখরোচক গুজব রটবে বলেই ধারণা। আর কূপমণ্ডুক বিশ্বমিডিয়া এবং বাংলাদেশের পুরুষত্বহীন মিডিয়াও তা গোগ্রাসে পাঠকদের গেলাবে। ইতিহাসে ধর্ম নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে যতোগুলো রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছে, তার অধিকাংশের মূলহোতা ছিলো এই শিয়ারা। খেলাফতে রাশেদা থেকে আজ পর্যন্ত। ইতিহাসের গলি-ঘুঁপচিতে হাঁটলে এর সত্যতা পাওয়া যাবে হাজারও।
    শিয়া আর ইহুদিদের মাঝে তফাৎ খুবই সামান্য। দুটোই যেমন সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য বানাতে উস্তাদ তেমনি ইসলামের বিরুদ্ধেও তাদের অবস্থান প্রায় একই সমান্তরালে। বর্তমানে বাইরে তারা একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে বড় বড় হুমকি ধমকি ডেলিভারি দিলেও তলে তলে তারা ইসলামের ক্ষতিসাধনে জানি দোস্ত। এই দু বিধর্মী শক্তি কখনোই ইসলামের মন্দ বৈ ভালো চায়নি। একদল সরাসরি অমুসলিম শত্রু, অন্যদল বেশধর্মী শত্রু।

    সুতরাং আপনাকেই ঠিক করতে হবে কে আপনার জন্য বড় হুমকি- মোসাদ নাকি রেডিও তেহরান!

    (শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন)
    .......................................
    # সংগ্রহঃ সালাউদ্দিন জাহাঙ্গীর / সময়বার্তা২৪
    সূত্রঃ আরব বিশ্বের খবর

    ReplyDelete