হযরত শাহজালাল রহঃ



















হযরত শাহজালাল রহঃ এর মাজার চালাই যারা

সুদূর ইয়েমেন থেকে সিলেটে এসে ইসলাম প্রচারে নেমেছিলেন ওলিকুল শিরোমণি হযরত শাহজলাল (রহ.)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ৩৬০ জন আউলিয়া। ওফাত দিবসে প্রতি বছর উরস অনুষ্ঠিত হয়।
এক পীরের দরগাহ তে জসনে জুলুশ হচ্ছে ।দরগাহের একপাশে পুরুষ ,আরেক পাশে মহিলা ।
 মাঝখানে পর্দা নিয়ে আলদা করা আছে।বর্তমানে পীরসাহেব বক্তৃতা দিতে আসল । প্রথমেই সে শুরু করল এভাবে ,"মনের পর্দা বড় পর্দা , সব পর্দা ফালায়া দাও!! " পীরদের আয়াত একটাইঃ যার পীর নাই তার পীর শয়তান । নিজেরা এ আয়াত তৈরি করে নিয়েছেন ।

ইসলামের সাথে সংঘর্ষ ?
হ্যাঁ  >>
হ্যাঁ ইসলাম ও ইমান ভঙ্গ কারি বিষয় গুলো ও শিরিক , বিদয়াত পরিলক্ষিত


কেন ? সংক্ষেপে
পীরদের কাছে যেতে যেতে মানুষরা শিরকে লিপ্ত হয়
মাজারে মানুষ মাজারকে সিজদা দিয়ে থাকে
>>একজন মুসলিমের সিজদাহ শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য
 মাজার গুলো পাকা হয়ে থাকে
>>যা ইসলাম বিরোধী কাজ
আর মানুষ মাজারে যাই সাহায্য পাওয়ার জন্য
>>তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো।(২ঃ৪৫)
মৃত বাক্তির কাছে চাওয়া বা মানত করে
মৃত বাক্তির নামে পশু জবাই করা ইত্যাদি।


পীররা কেন সমস্যা ?
আমরা জানি পীরখানা গুলো যারা চালায় তারা তাদের বই গুলো দেয় আমল করার জন্য যা কিনা তাদের পীর সাহেব বলে গেছেন।

সুরা বাকারা (১) ৭৯ নং আয়াত – আল্লাহ বলছেন – সে সব লোকের জন্য ধ্বংস (অনিবার্য)যারা হাত দিয়ে কিতাব লিখে নেয় তারপর বলে এগুলো হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে ,তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে যেন তা দিয়ে (দুনিয়াতে)কিছু কিনতে পারে।

পীররা মানুষ ও আল্লাহর মধ্য এক প্রকার দালাল। পীররা মানুষদের কে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে থাকে কোন অধিকার ? সকল মানুষের অধিকার সে আল্লাহর কাছে সরাসরি কামনা করবে বা ডাকবে । সে যেই হোক কেন -কানা ,খোঁড়া ,রিক্সা ওয়ালা ,ফকির- মিসকিন ,বড় লোক ,গরীব লোক এইটা সকল লোকের অধিকার যা আল্লাহ সবাইকে দিয়েছে এবং এই মর্যাদা সবার আছে।

মদিনার আলেমদের ফতোয়া ?
ইসলাম ভঙ্গ , কিন্তু তওবার রাস্থা খোলা

পূর্বের অবস্থা 
একই 

বর্তমান অবস্থা
একই
 
অবদান 
মানুষকে জান্নামের দিকে নিয়ে যাচ্ছে

সংশোধন এর উপায় 
পীর সাহেব কি করবে জানা নেই।
মুরিদদের দাওয়াত দিতে হবে বেশি করে।
কোরআন হাদিস বিরোধী আমল বাদ দিতে হবে। 
আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সাংবাদিকরা সাহায্য করতে পারে পূর্বেও তারা অনেক ভণ্ডদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে
সরকারের উচিত ইসলাম শিক্ষার প্রতি জোর দেওয়া কারন অনেকেই ইসলাম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান রাখে না।
 
কিছু ভাল মানুষ ছিল যাদের মানুষ ট্যাগ দিয়েছে পীর ।এইটা দেখে দুষ্ট লোক পীর সেজে মানুসকে ধোঁকা দিচ্ছে পীর ভণ্ড হলেও মানুষ তার উপর বিশ্বাস করছে এবং কিছু ভাল লোকের কবর পাকা এইসব ভাল লোকের কবরগুলোতে এখনও রমরমা ব্যবসা চলছে ।এইটা দেখে কিছু দুষ্ট লোক নাম না জানা অনেক লোকের কবর পাকা করে মাজার বানিয়ে ব্যবসা করছে।ভাল মানুষ গুলো নেই ,যারা তাদের কবর গুলো পাকা বা তাদের নামে বিভিন্ন বই রচনা করে এবং মন্দ মানুষরা যা করেছে এই গুলো সব ইসলাম বিরোধী।
 
"আবু মারসাদ গানবী (রা) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন,আমি রাসূল(সা) বলতে শুনেছি। তোমরা কবরের দিকে নামায পড়োনা এবং কবরের উপর বসোনা'। (সহিহ মুসলিম ২১২৩, ইঃফাঃ)
"আবু হাইয়াজুল আসাদী বলেন, আমাকে আলী(রা) বললেন, আমি কি তোমাকে এমন কাজে পাঠাবনা যে কাজে রাসূল (সা) আমাকে পাঠিয়েছিলেন ? তা হচ্ছে কোন প্রতিকৃতি বা ছবি দেখলে তা চূর্ন বিচূর্ন না করে ছাড়বেনা। আর কোন উচু কবর দেখলে তাও সমান না করে ছাড়বে না'। (সহিহ মুসলিম ২১১৪, ইঃফাঃ)
"জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) কবর পাকা করতে, কবরের উপর বসতেও কবরের উপর গৃহ নির্মান করতে নিষেধ করেছেন। (সহিহ মুসলিম ২১১৭, ইঃফা)


উল্লেখ্য যে এইখানে হযরত শাহজালাল রহঃ এর মাজার চালাই যারা তাদের কথা বলা হয়েছে

যে কোন দল নিয়ে কোন তথ্য জানা থাকলে সেই দলের নামের পেজে নিচে কমেন্ট করে সাহায্য করুন  >> শেয়ার করতে ভুলবেন না
সুদূর ইয়েমেন থেকে সিলেটে এসে সিলেট বিজয়ের মাধ্যমে ইসলাম প্রচারে নেমেছিলেন ওলিকুল শিরোমণি হযরত শাহজলাল (রহ.)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ৩৬০ জন আউলিয়া। - See more at: http://classic.nagorikblog.com/node/12569#sthash.hA4XPrcf.dpuf

No comments:

Post a Comment